
শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ খান ব্যাপক
আলোচনায়
শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে আগামী কাউন্সিলর পদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শরীয়তপুর পৌরসভা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, তরুণ সমাজ সেবক ও সংগ্রামী যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ খান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতি, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর মোহাম্মদ খান দীর্ঘদিন ধরে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে এলাকায় একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। বিভিন্ন সময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসা, শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি অনেকের কাছেই পরিচিত মুখ।
৪ নং ওয়ার্ডের অনেক বাসিন্দারন জানান, এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে যারা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান, তাদের মধ্যে নুর মোহাম্মদ খান অন্যতম। তারা মনে করেন, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে এলাকার উন্নয়নে নতুন গতি আসতে পারে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান সময়ে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সেই দিক থেকে নুর মোহাম্মদ খানের মতো একজন সক্রিয় সংগঠকের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে নুর মোহাম্মদ খান বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও মানুষের সেবা করতে চাই। এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে আমি ৪ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
এছাড়াও আমি ৪নং ওয়ার্ডে মাদক মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত ও সন্ত্রাস মুক্ত করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমি শরীয়তপুর জেলা সিএনজি, অটো রিক্সা, হালকাযান পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি, শরীয়তপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য, আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন শরীয়তপুর পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
এদিকে আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও নুর মোহাম্মদ খানকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বেশ জোরালো আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী মনে করছেন, সৎ ও তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে ৪ নং ওয়ার্ডে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।