রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিককে কেন আইন জানতে হয় লেখক:- মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বিন মুজিব যুগ্ম মহাসচিব, (বিটিএসএফ) শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ খান ব্যাপক আলোচনায় পেশাজীবি সংগঠন লালমাই প্রেসক্লাবের উদ্যোগ রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত রওনাকে রমজান’ প্রতিযোগিতায় লালমাইয়ের আল ইসরা মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য ভোট দিয়ে আপনারা আমাকে ঋণী করেছেন, সে ঋণ শোধে কাজ করবো, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া (এমপি) কুমিল্লা-১০ লালমাইয়ে শতবর্ষী স্কুলের এসএসসি ২০১৮ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাংবাদিক মুহাম্মদ হারিসুর রহমান সম্পাদক ও প্রকাশক সংবাদ সারাদেশ সরকারি খালের মাটি কাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ কুমিল্লায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ

Coder Boss
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬ Time View

সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নেতৃত্বে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা ও নারীনেত্রী ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয় জনগণ। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, ফাহিমা আক্তার মুকুল শরীয়তপুর জেলার সন্তান; একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী সাবেক ছাত্রনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জেলার নানামুখী কর্মের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখার কারণে তিনি এ আসনের জন্য একজন যোগ্য এমপি প্রার্থী হতে পারেন।

জানা গেছে, ফাহিমা আক্তার মুকুল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা শহরের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রদলের দুই বার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সদস্য ও সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী হিসেবে ফরিদপুর বিভাগের ছাত্রদলের টিম মেম্বার ও শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদলের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেছেন। শরীয়তপুর, মাদারীপুর ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার ছাত্রদল কে সুসংগঠিত করার জন্য টিম মেম্বারদের নিয়ে কাজ করার সময় বিভাগের অন্যান্য জেলার ন্যায় শরীয়তপুর জেলার জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার সাংগঠনিক কার্যকর্মের দৃঢ়তা ও শ্রুতিমধুর কন্ঠের গঠনমূলক বক্তব্য ফরিদপুর বিভাগ বাসীদেরকে বিমোহিত করেছিলো।তৎকালীন সময়ে থেকে তিনি শরীয়তপুরবাসীর নজর কেরে নিয়েছিল এবং তখন থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এই গুঞ্জন শুরু হয়, যে ভবিষ্যতে শরীয়তপুর জেলায় এই মুকুল নেতৃত্বে আসতে পারবে, অবস্থান গড়তে পারবে। শরীয়তপুরের গর্ব এই নেত্রী ছাত্রদল শেষে যুক্ত হন মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বিএনপি ও মহিলাদলের ডাকে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক কর্মী জানান, শরীয়তপুরের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে তরুণ, শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দের কাছে পরিচিত একজন জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, তিনি যদি সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পান, তাহলে এলাকার উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ফাহিমা আক্তার মুকুল কে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সংসদে গেলে নারীদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এ বিষয়ে ফাহিমা আক্তার মুকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চান এবং দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।

এব্যাপারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, দলীয় কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেলে তিনি জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নতুন ও সক্রিয় নেতৃত্ব সামনে এলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। আর সেই জায়গায় ফাহিমা আক্তার মুকুলের নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ফাহিমা আক্তার মুকুল; কভিট ভাইরাস করোনা কালীন সময় প্রায় তিনটি বছর বিশ্ববাসী যখন ঘরবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছিলো তখন নিজ দলীয় নেতা কর্মীদেরকে উজ্জীবিত রাখার জন্য প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ও পরে মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল প্রোগ্রামের আয়োজন করে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। জুম মিটিং রুমে ভার্চুয়ালি মহিলা দলের নির্ধারিত প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি সাবেক সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরকে সংগঠিত করার জন্য দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলার ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করতেন। শরীয়তপুর জেলার ছাত্রদলের সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দদের নিয়েও তখন তিনি সভা করেছিলেন ।তার আয়োজিত এই সভা গুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতে দেখা গিয়েছে স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্যদের এবং বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের।শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া এই বিচক্ষণ মুকুল করোনা কালীন লকডাউনের সময় সাংগঠনিক তৎপরতা দেখিয়ে দল ও দেশবাসীর কাছে থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102