
*হ্যাঁ মানে – পরিবর্তন*
অনেকে ভয় দেখাচ্ছে, সংবিধান সংস্কার হলে নাকি আল্লাহর নাম মুছে যাবে ‼️‼️
হুয়াল্লাহি… ডাহা মিথ্যা কথা। বরং এই সংস্কার হলে ইনসাফ কায়েম হবে, আর জালেমদের রাস্তা বন্ধ হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে বা সংস্কার পাস হলে আমরা মোট ১২টি জিনিস পাব, যা এই দেশকে বদলে দেবে।
১. একজন ব্যক্তি জীবনে ২ বারের বেশি (১০ বছর) প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। ২০ বছর গদিতে বসে থাকার দিন শেষ!
২. নির্বাচন আর দলীয় সরকারের অধীনে হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নির্দলীয় সরকারের অধীনে দিনের আলোয় ভোট হবে।
৩. প্রধানমন্ত্রীর একনায়কতন্ত্র খতম মানে
সব ক্ষমতা আর প্রধানমন্ত্রীর একার হাতে থাকবে না। তাকেও আইনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। যা খুশি তাই করার দিন শেষ।
৪. চাকরি পেতে কোনো এমপির ডিও লেটার বা নেতার তদবির লাগবে না। দলীয় কোটা বাদ, মেধা ও যোগ্যতাই হবে একমাত্র মাপকাঠি।
৫. পুলিশ বা প্রশাসন কোনো দলের লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করবে না। তাদের নিয়োগ ও বদলি হবে স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে, কোনো নেতার ফোন কলে না।
৬. জজ কোর্টে ফোন দিয়ে আর রায় পাল্টানো যাবে না। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে। মন্ত্রী হোক বা সাধারণ মানুষ, অপরাধ করলে শাস্তি সবার সমান। মানে বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন হবে।
৭. আগে ১ ভোটে হারলেও সেই ভোটের দাম ছিল না। নতুন নিয়মে তথা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি আপনার দেওয়া প্রতিটি ভোটের হিসেবে দলগুলো সংসদে সিট পাবে।
৮. সংসদ শুধু রাজনীতিবিদদের আড্ডাখানা হবে না। দেশের জ্ঞানী-গুণী ও বিশেষজ্ঞদের জন্য সংসদে আলাদা জায়গা উচ্চকক্ষ থাকবে। মানে সংসদ শুধু রাজনীতিবিদদের জন্য না। দেশের জ্ঞানী-গুণী, অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞদের জন্য সংসদে আলাদা জায়গা (উচ্চকক্ষ) থাকবে, যাতে তারা দেশ চালানোয় পরামর্শ দিতে পারেন।
৯. জনগণই হবে আসল মালিক, মনে
ভবিষ্যতে দেশের বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে (যেমন অন্য দেশকে সুবিধা দেওয়া), সরকার একা নিতে পারবে না। আবার গণভোট দিয়ে জনগণের অনুমতি নিতে হবে।
১০. প্রধানমন্ত্রী হোক বা মন্ত্রী, কেউ দুর্নীতি করলে তাকে ধরার জন্য শক্তিশালী ব্যবস্থা থাকবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকবে না। সহজ কথায়, নির্বাচন কমিশন (EC), দুদক (ACC) এবং পিএসসি (PSC)-র মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীন হবে এবং সরকারের আজ্ঞাবহ থাকবে না।
১১. ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হবে, মনে এমপিদের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ থাকবে। দলের সব অন্যায় সিদ্ধান্তের পক্ষে সংসদে ভোট দিতে তারা বাধ্য থাকবেন না।
১২. ধর্ম যাওয়ার ভুয়া ভয় কেটে যাবে, মনে যেটা সবচেয়ে বড় কথা, সংবিধানে আল্লাহর নাম থাকবে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। বরং সংবিধানে মানুষের হক, ইনসাফ আর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে, যা ইসলামেরই মূল শিক্ষা। জালিমদের পথ বন্ধ করাই এই সংস্কারের উদ্দেশ্য।
হ্যাঁ মানে — স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ।
হ্যাঁ মানে — জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা।
হ্যাঁ মানে — দেশের সম্পদ লুটপাট বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — দুর্নীতি, দুঃশাসনের অবসান।
হ্যাঁ মানে — নিরপরাধের রক্ত ঝরানো বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — গুম, খুন, নির্যাতন বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — শিক্ষা ও চিকিৎসায় সমতা।
হ্যাঁ মানে — বেকার যুবকের মুখে হাসি।
হ্যাঁ মানে — দেশের কৃষক-শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত।
হ্যাঁ মানে — সৎ নেতৃত্বের বিজয়।
হ্যাঁ মানে — সত্য ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।
হ্যাঁ মানে — শান্তি, প্রগতি ও স্বাধীনতার পথচলা।
তাই দেশ বাঁচাতে সবাই এগিয়ে আসার আহ্বান।